দুই বছর ধরে ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে বিপর্যস্ত গাজায় থমকে ছিল শিশুর শৈশব, বন্ধ ছিল তাদের পড়াশোনা। যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও কেউ কল্পনা করতে পারেনি আবার নতুন করে বই-খাতা হাতে স্কুলের পথে ফিরবে গাজার শিশু। কিন্তু যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর অবশেষে সেই অসম্ভব স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে শুরু করেছে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম মিডলইস্টআই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ নিশ্চিত করেছে, শনিবার থেকে গাজার প্রায় তিন লাখ শিশু আবারও নিয়মিত ক্লাস শুরু করেছে। বহু বছর পর এই দৃশ্য গাজাবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তবে এখনো সবকিছু স্বাভাবিক নয়।
সংস্থার মিডিয়া উপদেষ্টা আদনান আবু হাসনা জানিয়েছেন, প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী ক্লাস করছে সেইসব স্কুল ভবনে, যেগুলো এখনো টিকে আছে বা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকিদের জন্য অনলাইনের মাধ্যমে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দুই বছর ধরে শিশুরা শিক্ষার বাইরে ছিল। তার আগে করোনা মহামারীর সময়ও দুই বছরের শিক্ষাব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। এই শিশুদের ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমাদের দ্রুত পদক্ষেপ জরুরি।’
অনলাইন ডেস্ক 














