Dhaka ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলচ্চিত্র-নির্মাতা, মঞ্চ ও পর্দার কলাকুশলীদের জন্য সহায়ক নির্দেশিকা’প্রকাশ

আত্মহত্যার প্রবণতা ও মৃত্যু হার কমাতে ‘চলচ্চিত্র-নির্মাতা, মঞ্চ ও পর্দার কলাকুশলীদের জন্য সহায়ক নির্দেশিকা’প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এই নির্দেশিকা প্রকাশ করে। এতে সহায়তা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা। গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ‘হলিডে  ইন’হোটেল এ নির্দেশিকা প্রকাশ অনুষ্ঠান করা হয়।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী, বিএপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন। এছাড়া মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, গবেষক, চলচ্চিত্র-নির্মাতা, মঞ্চ ও পর্দার কলাকুশলী ও বিভিন্ন গণমাধমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ‘আত্মহত্যা: বাংলাদেশ দৃষ্টিকোণ’শীর্ষক মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মুনতাসির মারুফ। এতে বলা হয়, দেশে প্রতি বছর প্রায় ১০ হাজার থেকে ১৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে মারা যাচ্ছে। নারীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার ধারণা, পরিকল্পনা এবং প্রচেষ্টার হার যথাক্রমে ৪.৭ শতাংশ, ১.৫ শতাংশ এবং ১.৫ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা ঘটে ঝিনাইদহে। যা মোট মৃত্যুর ২০ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, মেডিক্যাল মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে পড়াশুনা করার শিক্ষার্থী কম। সবাই মেডিসিন, গাইনি, সার্জারি এসব বিষয় নিয়ে পড়ার আগ্রাহ দেখান না। এছাড়া আমাদের সচেতসমূলক প্রচারটা হচ্ছে না।
তিনি বলেন, আত্মহত্যা প্রবণা বেশি তরুণ বয়সে ছেলে-মেয়েদের মধ্যে। বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি। আমি মনে করি এই নির্দেশিকা মৃত্যু হার কমাতে সহায়ক হবে।

ট্যাগ:

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সর্বাধিক পঠিত

সৎকারে বাধা, লাশ নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের বিক্ষোভ

চলচ্চিত্র-নির্মাতা, মঞ্চ ও পর্দার কলাকুশলীদের জন্য সহায়ক নির্দেশিকা’প্রকাশ

আপডেট সময়: ০৭:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

আত্মহত্যার প্রবণতা ও মৃত্যু হার কমাতে ‘চলচ্চিত্র-নির্মাতা, মঞ্চ ও পর্দার কলাকুশলীদের জন্য সহায়ক নির্দেশিকা’প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এই নির্দেশিকা প্রকাশ করে। এতে সহায়তা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা। গতকাল রবিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ‘হলিডে  ইন’হোটেল এ নির্দেশিকা প্রকাশ অনুষ্ঠান করা হয়।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপত্বিতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী, বিএপি’র সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. মো. নিজাম উদ্দিন। এছাড়া মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, গবেষক, চলচ্চিত্র-নির্মাতা, মঞ্চ ও পর্দার কলাকুশলী ও বিভিন্ন গণমাধমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ‘আত্মহত্যা: বাংলাদেশ দৃষ্টিকোণ’শীর্ষক মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. মুনতাসির মারুফ। এতে বলা হয়, দেশে প্রতি বছর প্রায় ১০ হাজার থেকে ১৪ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে মারা যাচ্ছে। নারীদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি। ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে আত্মহত্যার ধারণা, পরিকল্পনা এবং প্রচেষ্টার হার যথাক্রমে ৪.৭ শতাংশ, ১.৫ শতাংশ এবং ১.৫ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি আত্মহত্যা ঘটে ঝিনাইদহে। যা মোট মৃত্যুর ২০ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. খায়ের আহমেদ চৌধুরী বলেন, মেডিক্যাল মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে পড়াশুনা করার শিক্ষার্থী কম। সবাই মেডিসিন, গাইনি, সার্জারি এসব বিষয় নিয়ে পড়ার আগ্রাহ দেখান না। এছাড়া আমাদের সচেতসমূলক প্রচারটা হচ্ছে না।
তিনি বলেন, আত্মহত্যা প্রবণা বেশি তরুণ বয়সে ছেলে-মেয়েদের মধ্যে। বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি। আমি মনে করি এই নির্দেশিকা মৃত্যু হার কমাতে সহায়ক হবে।