Dhaka ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ৮৩৪

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গতকাল শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৬৭, চট্টগ্রামে ১০৩, ঢাকা বিভাগে ২২৯, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৩, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬০ ও ময়মনসিংহে ৭২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১৯ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের এই পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
চলতি বছরের এই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩০৭ জনের। এরমধ্যে জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩, জুনে ১৯, জুলাইয়ে ৪১, আগস্টে ৩৯, সেপ্টেম্বরে ৭৬, অক্টোরের ৮০ ও নভেম্বরের এই পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৫৭৫ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

ট্যাগ:
About Author Information

সর্বাধিক পঠিত

শাহজাদপুরে মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ৮৩৪

আপডেট সময়: ০৫:১৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গতকাল শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৬৭, চট্টগ্রামে ১০৩, ঢাকা বিভাগে ২২৯, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৩, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬০ ও ময়মনসিংহে ৭২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮১৯ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের এই পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৭৮৫ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
চলতি বছরের এই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭ হাজার ৩৪৮ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩০৭ জনের। এরমধ্যে জানুয়ারিতে ১০, ফেব্রুয়ারিতে ৩, এপ্রিলে ৭, মে মাসে ৩, জুনে ১৯, জুলাইয়ে ৪১, আগস্টে ৩৯, সেপ্টেম্বরে ৭৬, অক্টোরের ৮০ ও নভেম্বরের এই পর্যন্ত ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে ২০২৪ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ৫৭৫ জন। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।