সৌন্দর্য নিয়ে নারীদের ঘিরে কটাক্ষ নতুন কিছু নয়, বিশেষ করে যখন তা আসে শোবিজ তারকাদের দিক থেকে। প্লাস্টিক সার্জারি, বোটক্স কিংবা স্কিন ট্রিটমেন্ট- এসব নিয়ে অভিনেত্রীদের নিয়ে চলে অনবরত ট্রল ও সমালোচনা। এবার সেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দুই বাংলার জনপ্রিয় তারকা জয়া আহসান।
সম্প্রতি একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে জয়া স্পষ্টভাবেই মুখ খুলেছেন নিজের শরীর ও সৌন্দর্য নিয়ে চলা গুঞ্জন প্রসঙ্গে।
‘মানুষ বলে আমি নাকি হেড টু টো প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছি! আমার নাকি পুরো শরীরটাই সার্জারি করা!’-বলতে বলতে হেসে ফেলেন জয়া।
তিনি আরও বলেন, ‘বোটক্স বা ত্বকের যত্ন নিয়ে কিছু করলেই শুরু হয় নানা কথা। অনেকে ভাবেন আমি এসব দেখিনা- আসলে দেখি। আমাদের কমেন্ট বক্সগুলোই বলে দেয়, আমাদের সমাজ বা বিশেষ করে পুরুষদের মানসিকতা কী রকম।’
তবে জয়া সরাসরি কোথাও সার্জারি করেছেন কি না, সেটা স্বীকারও করেননি আবার অস্বীকারও না। বরং বিষয়টিকে তিনি দেখেছেন জীবন অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে।
তার কথায়, ‘যদি কিছু করি এবং সেটা দরকারি হয়, আর ফল ভালো হয়- তাহলে সমস্যা কোথায়? পচানি তো খাইনি। সবকিছুতেই কি সাফল্য আসবে? ভুল করেছি, সেটা নিয়ে লজ্জা পাই না। কারণ আমার জীবনের সব ভুল নিয়েই আজকের আমি।’
জয়ার বিরুদ্ধে ট্রল নতুন নয়। ২০১৬ সালের ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী ২’-এর বিখ্যাত সংলাপ ‘মারোও’ এখনো সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়ায় মিম হিসেবে। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের ‘উৎসব’ সিনেমাতেও একই সংলাপ ঘিরে ট্রলের শিকার হতে হয়েছে তাকে।
তবে এসব সমালোচনা কিংবা ট্রল জয়ার পথ আটকে রাখতে পারেনি। বাংলাদেশ ছাড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের সিনেমাতেও তিনি আজ শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন।
সম্প্রতি জয়ার অভিনীত একাধিক চলচ্চিত্র মুক্তি পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তাণ্ডব, উৎসব, ডিয়ার মা, পুতুল নাচের ইতিকথা। ১৯ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে আসে ফেরেশতে, ওটিটিতে প্রশংসিত হয়েছে শারমিন ও নকশীকাঁথার জমিন।
সব মিলিয়ে এক দশকের বেশি সময় ধরে দর্শক ও শিল্পের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা নিয়েই পথ চলছেন জয়া আহসান। ট্রল কিংবা বিতর্ক নয়, তিনি বিশ্বাস করেন কাজই শেষ কথা।
Reporter Name 

















