গাইবান্ধায় দিনে -দুপুরে গায়ের জোরে কাপড় ব্যবসায়ির বসতবাড়ি ভাংচুর করছেন দুবৃত্তরা।শনিবার (৭ মার্চ)দুপুরে এ ঘটনাটি সদর উপজেলার পৌরসভা এলাকায় ঘটেছে। এই ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে সদর থানায়।
ভুক্তভোগী পরিবার ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে গাইবান্ধা সদরেরপৌরসভার দক্ষিণ ধানগড়া এলাকার বাবুলের বাড়ির থেকে রঞ্জুর দোকান পর্যন্ত রাস্তাটি সরু হাওয়ায় এলাকাবাসীর সীমাহীন দুর্ভোগ চলে আসছিল।
স্থানীয়ভাবে আলোচনা করে প্রত্যেকটি জমির মালিক কে ২ ফিট করে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার কথা হলে ভুক্তভোগীর পরিবার ২ ফিট করে জায়গা ছেড়ে দিতে চায়।তবে পরবর্তীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আবার জোরপূর্বক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আরো বেশি জায়গা ভাঙতে বলে স্থানীয় সরফ উদ্দিনের ছেলে তুহিনসহ আরো ১২ জন। ভুক্তভোগী পরিবার রাজি না হলে গায়ের জোরে দেশীয় অস্ত্র দেখিয়ে লোহার কুঠার, শাবল ও হাতুড়ি নিয়ে বাড়ি ভাঙচুর শুরু করে।এর ফলে তাদের প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়।এছাড়া বাড়ির জালনা ও গ্রিলের দেয়াল জোরপূর্ব ভাঙচুর করে। এতে ভুক্তভোগী পরিবারের ছেলে কাপড় ব্যবসায়ী মারেফাতুল হক প্রতিবাদ করলে তাকে হত্যার হুমকি সহ ভয়ভীতি প্রদান করেন।
এরপর থেকে মারেফাতুল হক ৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। তারপর থেকে সার্কুলার রোডের দোকানে তিনদিন থেকে অবস্থান করছেন।
বর্তমানে সে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না। মারেফাতুল হক অভিযোগ করেন স্ত্রী, সন্তান ও বাবা মায়ের নিরাপত্তার অভাবে ভুগছেন। দ্রুত এসব অভিযোগকারীদেরকে আয়ের এর মাধ্যমে শাস্তির দাবি করেন সে ।এতে মারেফাতুল হক বাদি হয়ে সদর থানায় রবিবার (৮মার্চ)দুপুরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ।
ভুক্তভোগি মারেফাতুল হক কারবেলাকে বলেন, তারা আমার অন্যায় ভাবে বাড়ি ভাঙচুর করেছে এবং বিভিন্ন সময় দোকানে এসে হত্যার হুমকি-ধামকি দিচ্ছে । বর্তমানে পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি নিরাপত্তা চাচ্ছি আমার পরিবারের ও আমার।
বাদি মারেফাতুল হকের বাবা মো. ছানাউল হক দীর্ঘশ্বাস ফেলে কালবেলাকে বলেন,অনেক কষ্টে গড়া আমার বাড়িটি তারা ভেঙ্গে দিল গায়ের জোরে তাদের আমি শাস্তি চাই। তারা তো যেটুকু জায়গা চেয়েছিল আমি সেটুকু জায়গা তো দিতেই চেয়েছিলাম তবুও কেন এরকম ভাঙচুর।
এদিকে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে সোহাগ নামের এক ব্যক্তি বলেন,এলাকাবাসীর স্বার্থে তার বাড়ি ঘর ভাঙচুর করেছে এলাকাবাসী। এখানে উদ্দেশ্যমূলক কিছু মানুষকে হয়রানি করেছেন বাড়ির মালিকের ছেলে।
তবে এলাকাবাসী ছাদেক বলেন, পৌরসভার অনুমতি ছাড়া বাড়ি ভাঙাটি ঠিক হয় নি।এটি দুঃখজনক।
গাইবান্ধা সদর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন সোমবার (৯ মার্চ)দুপুরে বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জয় কুমার,গাইবান্ধা 












